যুদ্ধ ঠেকানোর শেষ চেষ্টায় বৈঠক বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
যেকোনো উপায়ে আরেকটি যুদ্ধ এড়াতে চায় ইরান। যুদ্ধ চায় না মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশই। তবে ব্যতিক্রম ইসরায়েল। আর তাই মধ্যপ্রাচ্যে যেকোনো সময় বেজে উঠতে পারে আরেকটি যুদ্ধের দামামা। তাতে গৃহহীন হতে পারে লাখো মানুষ। বদলে যেতে পারে ইরানের শাসক।
তবে সেই যুদ্ধ ঠেকানোর আরেকটি চেষ্টা চালাতে চায় সব পক্ষ। আর তাই আগামী বৃহস্পতিবার ফের আলোচনায় বসবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এবারের আলোচনা হবে জেনেভা। এ তথ্য জানিয়েছেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল বুসাইদি। তিনি জানান, তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে একটি চুক্তি চূড়ান্তে ইতিবাচক চেষ্টার অংশ এই আলোচনা।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিবিএস নিউজকে রোববার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, নতুন আলোচনার আগে সম্ভাব্য একটি চুক্তির রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের এক সাক্ষাৎকারের পর এ তথ্য জানিয়েছেন আরাগচি।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উইটকফ বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার কাছে জানতে চেয়েছেন, ইরান কেন এখনও ওয়াশিংটনের চাপের কাছে নতি স্বীকার করছে না। আলোচনা টেবিলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলমান থাকলেও তেহরানের ওপর মার্কিন সামরিক চাপও অব্যাহত রয়েছে।
সেক্ষেত্রে হামলা হলে, চুপ থাকবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আরাগচি। তার ভাষায়, নিজেদের আত্মরক্ষার সব অধিকারই ইরানের রয়েছে। তারপরও এই সমস্যার কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা আছেন বলে মনে করেন তিনি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের হামলা না চালিয়েও প্ল্যান বি কাজে লাগাতে পারে। তাতে ইরানের হতে পারে অপূরণীয় ক্ষতি।
