ভূমধ্যসাগরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবাহী রণতরী
ভূমধ্যসাগরের জলসীমায় প্রবেশ করেছে দ্বিতীয় আরেকটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী। ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড নামের বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওই রণতরীটি ক্রেটে সৌদা বন্দরে মার্কিন নৌঘাঁটিতে নোঙর করেছে। এই রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির অংশ হিসেবে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরান গোপনে পরমাণু কর্মসূচি চালিয়ে পরমাণু শ্িকতধর দেশ হতে চাইছে এমন অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্র ও তার মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র ইসরায়েলের। তবে ইরানের দাবি, তাদের এই কর্মসূচি পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ। এরই মধ্যে গেল ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেই বিক্ষোভে উসকানি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মাঝে সাময়িক বিরতির পর, এখন ইরানে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও ইরানে হামলার জন্য তোড়জোড় শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাম্প। সেই নির্দেশ অনুযায়ী, সোমবার গ্রিসের ওই দ্বীপে পৌঁছায় মার্কিন বিমানবাহী রণতরীটি।
অবশ্য এ নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে গ্রিসের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তারা এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতেই অস্বীকৃতি জানিয়েছে। আর এথেন্সে মার্কিন দূতাবাস বার্তা সংস্থা এএফপির প্রশ্নের তাৎক্ষণিক কোনো উত্তর দেয়নি। সৌদায় প্রায় এক হাজার লোকের বাস। তাদের মধ্যে মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিসহ স্থানীয় কর্মী, কন্ট্রাক্টর ও তাদের পরিবারের সদস্যরা রয়েছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ ডজনের বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে রেখেছে ওয়াশিংটন। এগুলোর মধ্যে ৯টি ডেস্ট্রয়ার ও তিটি লিটোরাল কমব্যাট শিপও রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় একসঙ্গে দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন খুবই বিরল ঘটনা।
