দুর্বল শত্রুর ভয়ে সৌদির অবস্থা টাইট
মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে দরিদ্র দেশ। তারপরও শক্তিশালী সৌদি আরবের জন্য মাথাব্যথার কারণ। দেশটির জ্বালায় সৌদি যুবরাজের মান-সম্মান যায় যায় অবস্থা। কয়েক বছর আগে তরুণ যুবরাজ ওই প্রতিবেশী দেশ ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল। তবে হারতে হয়েছে গো-হারা।
এখন আবার নতুন করে দেশটির সঙ্গে সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। যেকোনো সময় শুরু হতে পারে লড়াই। তবে সৌদি জোর গলায় বলছে, ইয়েমেনকে পাত্তা দিচ্ছে না তারা। বরং ইয়েমেনের এই হুমকি-ধামকির কৌশল আসলে নজর ঘোরানোর প্রচেষ্টা।
ইয়েমেনের হুতিরা শুক্রবার অভিযোগ করে তাদের আকাশসীমা ঢুকে পড়ে সৌদি যুদ্ধবিমান। আর সেই যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের একটি বেসামরিক বিমানকে সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এরপরই হুতিরা হুঁশিয়ার করে দিয়ে জানায়, সৌদির বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালানো হবে।
সেই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি বলেন, নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে সানা। ইয়েমেনের ভ্রাতৃপ্রতীম জনগণের সঙ্গে যে অন্যায় করছে হুতিরা, তা থেকেই নজর ঘোরাতে এমন হুমকি দিচ্ছে তারা।
ইয়েমেনের জনগণের জন্য সৌদির এমন মতত্ববোধ জেগে উঠলেও রিয়াদের অ্যাকশনের কারণেই সানার করুণ অবস্থা। ইয়েমেনে সৌদির সামরিক আগ্রাসনের কারণে দুর্ভিক্ষে দেশটিতে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখন সৌদি জোট বলছে, হুতিদের সবশেষ এই হুমকি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলার অপচেষ্টা।
তবে হুতিরা ইট মারলে পাটকেল ছোড়ার পাল্টা হুমকি দিয়েছে সৌদি আরব। জানিয়েছে সৌদি, দেশটির নাগরিক, সম্পদের ওপর যেকোনো হামলার কড়া জবাব দেয়া হবে। ইয়েমেনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের চেষ্টা করলেও তার কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে রিয়াদ।
