যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বন্দ্বে জড়াবে না সাদ্দামের দেশ
মধ্যপ্রাচ্যের দুই পরাশক্তি সৌদি আরব ও ইরান। দুই দেশের মধ্যে রেষারেষি দীর্ঘ দিনের। যদিও চীনের মধ্যস্থতায় সেই সম্পর্কে কিছুটা জোড়া লেগেছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের টানাটানিতে আবারও রিয়াদ-তেহরান সম্পর্কে ছেদ পড়েছে।
বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত রিয়াদের সঙ্গে তেহরানের দূরত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সংঘাতপূর্ণ সময়ে সৌদি আরবে বেশ কয়েকবার হামলা চালিয়েছে ইরান। জানা যায়, মার্কিন হামলায় সৌদির মদদ ছিল। এমন তথ্যের পর ইরান এই পদক্ষেপ নেয়।
এরই মধ্যে ইরানের আঞ্চলিক প্রতিবেশী দেশ ইরাক জানিয়েছে, তারা ওয়াশিংটন-তেহরানের সংঘাতে গুটি হবে না। তাই নিজেকে এই সংঘাত থেকে দূরে রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাগদাদ। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী নিজার আমিদির সাফ কথা, ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের পক্ষে দাঁড়াবে না তার দেশ। আবার ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে ইরানের সংঘাতেও থাকবে না বাগদাদ।
এছাড়া সৌদি আরবের সঙ্গেও সুস্পর্ক বজায় রাখার কথা বলেছেন তিনি। আমিদি জানান, তার দেশ সৌদির সঙ্গে সর্বোত্তম কৌশলগত সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করছে। এর পাশাপাশি নিজের দেশে সংঘাত বন্ধে যুগান্তকারী পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী।
তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তা ছাড়া আর কেউ যেন অস্ত্র বহন করতে না পারে তা নিশ্চিত করবে তার সরকার। শনিবার আল আরাবিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি। এই সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হবে না বলেও জানান আমিদি। তার সরকারের জন্য এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলেও জানান তিনি।
